Untitled Document
ভিটের গান


ফসল কাটার নাচ
মুরাদনগর , কুমিল্লা ২০০৮
সংগ্রহঃ মোল্লা সাগর



যে জীবনে শিশুমুখেই মরণের কথা চলে আসে। কিন্তু সে জীবন সম্পর্কিত হতে চায় প্রেমসুন্দরের কাছে।

কিন্তু প্রেমের সে আলিঙ্গন কোথায়? তা সে নিজেকে জিজ্ঞেস করে। অন্যকেও বলতে চায়। সে পথের আরও নির্জনে, আরও অনেক সরল-প্রাণ শক্তির দেখা পাই। ভাটিয়ালী নয়, ভাওয়াইয়া নয়, ঠিক মুর্শিদা’ও নয়, বন্ধুয়া’র খেম্টা ঝুমুরে এরা যেন আরও উদাম, একেবারে জংলী প্রাণ। ভিতরে বাইরে আরও কোন পরম অন্বেষা। জীবন আনন্দগানের। এই উদাম নরম মানুষের অস্তিত্বের সবটুকু জুড়েই আছে ‘গান’। বুঝিবা গান ছাড়া-‘তার কথা’ বলা আর হতো না। অন্য ভাবে বেঁচে থাকা যেত না। কিন্তু শিল্পীর জীবনে তো প্রেম আর বাস্তবতার মুক্তিযুদ্ধের ঘটনার দাগ লেগে আছে- ‘পাঞ্জাবীরা পশ্চিম পাড়ে আর আমরা তো পূব পাড়ে.......যার যার জান লইয়া আমরা তো.......’। অসহায়?

সে তো এদেশের আনাচে-কানাচে কাজ করে খায়। গান গায়।

বিবরণে, এক পাগলের আগমনে যদি কবরতলার মৃতরা সবাই উঠে আসে, তবে দুনিয়াতে এতো লোক ধরবে কিভাবে? সে পাগলকে নিয়ে নাকি স্বয়ং সৃষ্টিকর্তারও মনে বড় ভয় জাগে। ধারেকাছেই, আরেকজন চোখের সামনের মাঠে ফুটবল নিয়ে মানুষের কাড়াকাড়ি দেখে। ভাবে, সে খেলার হারজিৎ নিয়ে, নানান চরিত্র আর তাদের প্রাণান্ত ভূমিকা নিয়ে। ভাবে, সে মাঠ পতিত না থেকে আরও কতই না ফল-ফলাদিতে ভরে উঠতে পারতো! তা না হয়ে ফলের বদলে, মানুষের মুখে কারা জানি বোমা ছুড়ে মারে। ওরা কারা? এ প্রশ্ন মানুষের। যে মানুষের মুখের প্রতিটি শব্দই, প্রত্যেকটি উচ্চারণই একেবারে ন্যাংটা। খুব খোলামেলা। আমাদের পাঠ্য বইয়ের কোন শব্দই এখনও পর্যন্ত তার মুখ স্পর্শ করে নাই। সে কথা আজও অস্পষ্ট আর অব্যক্ত হয়ে আছে।

সে সব নিরাভরণ মানুষের অন্তরের খোলামেলা ডাকটুকু সুরের মাতম হয়ে একসাথে নেচে-বেঁচে উঠতে চায়।

সাপলুডুর ভিটের গানের সংগ্রহ
ঝুমুর - চা শ্রমিকদের গান - শ্রীমঙ্গল থেকে সংগৃহীত
দুলাল বাবু - বাগেরহাট -
পাগলের মাতম - চীতলমারি, বাগেরহাট -
এমদাদ ভাই, বাগেরহাট -
Untitled Document