Untitled Document
মাইজভাণ্ডারী সম্প্রদায় ও তাদের গান
- অনুপম হীরা মণ্ডল
উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে বাংদেশের চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি থানায় মাইজভাণ্ডারী নামে একটি ধর্মমত গড়ে ওঠে। মাইজভাণ্ডার গ্রামের নামেই এই সম্প্রদায়ের নাম করণ, পরিচিতি ও বিস্তার। চট্টগ্রাম, নোয়াখালি, ফেনি, লক্ষ্মীপুর, ব্রাহ্মবাড়িয়া প্রভৃতি জেলার অজস্র মানুষ এই ধর্মীয় মতবাদের অনুসারী। দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও এর অনুসারীদের দেখা যায়। ধর্মীয় সমন্বয়বাদীতা, মুক্ত চিন্তা প্রভৃতি গুণাবলীকে ধারণ করে মাইজভাণ্ডারী তরিকার বিস্তার ঘটেছে। মাজার-আখড়া-খানকাকে কেন্দ্র করে জনমনে লৌকিক-অলৌকিক যে বিশ্বাস সক্রিয় মাইজভাণ্ডারী সেই বিশ্বাসের ধারাবাহিকতাকে বহন করে। এই তরিকা বাংলাদেশের মানুষের ধর্মীয় অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধ প্রকাশের একটি অন্যতম মাধ্যম হিসেবে পরিব্যাপ্ত। প্রতিদিন অজস্র আশেক জনতার আগমন এই তরিকার বিশেষত্বকে নির্দেশ করে। প্রায় দুই শতাব্দী ধরে বাংলাদেশে এই তরিকাটি মানুষের নিকট গ্রহণযোগ্যতা পেয়ে আসছে। মাইজভাণ্ডারী তরিকার প্রবর্তক সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী। তিনি ১৮২৬ খ্রিস্টাব্দে মাইজভাণ্ডার গ্রামেই জন্মগ্রহণ করেন এবং সুদীর্ঘ ৮০ বছর জীবন-যাপনের পর ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দে মাইজভাণ্ডার গ্রামই তাঁর আখড়ায় দেহ রাখেন। এটি উদার ও মানবতাবাদী একটি লোকসম্প্রদায়। মরমি ও অধ্যত্ম সাধনার মাধ্যমে জীবন যাপনই এই সম্প্রদায়ের পরম লক্ষ্য। শরীয়তকে স্বীকার করেও মারেফতি সাধনার প্রতি অনুসারীদের উৎসাহিত করা এবং জিকির ও হালকা প্রভৃতি রীতিতে ধ্যানের মাধ্যমে আল্লাহকে স্মরণ করা এ সম্প্রদায়ের সাধনার অঙ্গ। মাইজভাণ্ডারী তরিকা অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে লালন করে। ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে এই তরিকার অনুসারী হওয়া যায়। এই তরিকার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো সমবেত জিকিরাদির মাধ্যমে আত্মনিয়ন্ত্রণের পথ অনুসন্ধান। এদের রয়েছে অজস্র সাধন সঙ্গীত। এই সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে তাদের সাধন পদ্ধতি প্রতিফলিত হয়।

মাইজভাণ্ডারী পীর প্রাথমিক পর্বে তাঁর নৈমিত্তিক কর্মক্রিয়া ও সাংগঠনিক ক্ষমতার মাধ্যমে প্রতিবেশিজনের নিকট আপন হয়ে ওঠেন। তৎকালীন সময়ে একজন আইনজ্ঞ এবং সর্বোপরি একজন মাদ্রাসা শিক্ষক হিসেবে জীবন শুরু করায় তার পক্ষে সাধারণ মানুষের আর্থ-সামাজিক সংকট আত্যস্ত করা সহজ হয়ে ওঠে। তিনি সে সময়কার বাঙালি মুসলমান বিশেষ করে সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের দীনতা-হীনতা এবং নানা শ্রেণি-গোষ্ঠীর ধর্মীয় জীবনে বিদ্যমান অসহিষ্ণুতার ভয়াবহতা অনুধাবন করেন। এই সকল সংকটকে অনুধাবন করে নিজের মতো করেই এর সমাধানে মনোনিবেশ করেন। মানুষের আর্থ-সামাজিক সংকট থেকে সৃষ্ট ধর্মীয় গোঁড়ামি ও উগ্রতা প্রশমনের উদ্দেশ্যে নিবেদিত চেষ্টাই নতুন এক ভাবনার উদ্রেক করে। এই ভাবনা অন্যদের নিকট যেমন অভিনব হয়ে ওঠে তেমনি তাঁর নিজের দায়িত্ববোধকেও বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়। এ কারণে একজন গার্হস্থ্য পীরের আসনে আসীন হয়েই তিনি ভবঘুরে, ঘরছাড়া, অনাথ, দরিদ্র মানুষের আশ্রয় হয়ে ওঠেন। তিনি দরিদ্রের যেমন অন্নদাতা তেমনি ধনীর আত্মিক ক্ষুধা নিবারক হিসেবে পরিচিতি পান।

উনবিংশ শতাব্দিতে একজন বাঙালি শিক্ষিত মুসলমানের অভিনব এই কর্ম প্রচেষ্টা সমকালে অনেক মানুষকেই আকৃষ্ট করে। বিশেষ করে বাঙালি দরিদ্র জনগোষ্ঠী তাঁর প্রথম জীবনের অনুসারী হলেও শিক্ষা ও দূরদর্শী বাচন ক্ষমতা তাঁকে মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠীর নিকট পরিচিত করে তোলে। উপরন্তু তাঁর দৃষ্টিতে সৃষ্ট সামাজিক সংকট কাটিয়ে ওঠার জন্য ধর্মীয় মাধ্যম ব্যতিরেকে অন্য কোনো পথ নির্বাচন সহজ ছিলো না। তাঁর নিরীক্ষণে ধর্মীয় সংকটই এই গাঙ্গেয় ভূ-খণ্ডে প্রধান হয়ে দেখা দেয়। একারণে তিনি ধর্মীয় পথেই এই সমাধানের চেষ্টা করেন। মূলত তিনি মনে করেন ধর্মীয় জীবনের অজ্ঞতাই মানুষের সামাজিক সংকট সৃষ্টির মূল কারণ। কারণ তিনি অধ্যত্ম ভাব পরিমণ্ডলের অসহিষ্ণু অবস্থাকেই প্রধান হিসেবে দেখেন। আর এই পথেই তাঁর সংস্কার প্রক্রিয়াকে গতিশীল করতে উদগ্রীব হন। মূলত তিনি একজন ধর্ম সংস্কারকের ভূমিকা নিয়ে আবির্ভূত হলেও পরবর্তীতে তাঁর কর্মপরিধি তাকে সমাজ সংস্কারকের আসনে আসীন করে। তিনি ধর্মকে শুধু অধ্যত্ম জীবনের উপকরণ মনে করেননি। কিংবা একটি পথকেই সর্বশ্যেষ্ঠ বলে মেনে নেননি। তাই দেখা যায় যখন কোনো হিন্দু কিংবা বৌদ্ধ তাঁর দূরদর্শী ক্ষমতার নিকট আত্মসমর্পন করে আপন ধর্ম ত্যাগ করতে মনস্থ করে তখন তিনি স্বধর্মে থেকে জীবনাচারের নির্দেশ দান করেন। এই সকল মহাত্মাসুলভ আচরণই তাঁকে হাজার জনের থেকে স্বতন্ত্র করে তোলো। তাঁর নিতট ধর্ম আপন সংস্কৃতি বিচ্যুত কোনো বিষয় নয়। তাই তিনি আরব-ইরানীয় আরোপিত মতবাদকে শ্রেষ্ঠ বলে দ্ব্যর্থহীন ভাবে মেনে না নিয়ে আপন সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে ধর্ম পালনে মতি হন।

উনবিংশ শতাব্দীর মাদ্রাসার শিক্ষায় পাঠ নেওয়া এক জন মানুষ হয়েও স্ব সংস্কৃতির প্রতি মমত্ববোধ তাঁর দূরদর্শীতার পরিচয়কে বহু গুণ ত্বরান্বিত করে। পশ্চিমা শিক্ষা ও ধ্যান-ধারণা দ্বারা আবিষ্ট হয়ে ভিন্ন ধর্মী মাতাদর্শ গ্রহণ ও সেটি দ্বারা সমাজ সংস্কার তাঁর পক্ষে সম্ভব হয়নি। তিনি ধর্ম দিয়েই সমাজ সংস্কারের কথা চিন্তা করেন। যদিও তাঁর পথটিও সহজ-সাধারণ হয়ে ওঠেনি। সেখানেও ছিলো অনেক বাহাস, নিন্দা, সমালোচনা। তিনি সমস্ত কিছু অতিক্রান্ত হয়ে একজন সমন্বিত ভাব ধারা প্রবর্তন করেন। যা আজও বহু মানুষের অধ্যত্ম বিশ্বাসের ভিত্তি রচনা করে।

এই তরিকা ক্রমে মাইজভাণ্ডার গ্রামের গণ্ডি ছাড়িয়ে চট্টগ্রাম জেলাসহ দেশের অন্যান্য স্থানেও প্রসারিত এবং এর ভক্ত সংখ্যা অসংখ্য। মাইজভাণ্ডারিদের মধ্যেও সাধন সংগীত চর্চা বর্তমান। এসব গানে তাঁদের অধ্যত্মতত্ত্ব ও বিভিন্ন প্রশস্তি প্রতিফলিত হয়। মাইজভাণ্ডারি সম্প্রদায়ের মধ্যে পরিব্যাপ্ত গানগুলো মাইজভাণ্ডারি গান নামে পরিচিত। মাইজভাণ্ডারি তরিকার একজন অন্যতম ভক্ত ছিলেন কবি রমেশ শীল। তিনি হিন্দু হয়েও মাইজভাণ্ডার পীরের প্রতি তাঁর প্রগাঢ় ভক্তি নিবেদন করে। তাঁর সমগ্র কবি জীবনে তিনি অসংখ্য মাইজভাণ্ডারি গানের সৃষ্টি করেছেন। আসরে কবিগান পরিবেশনের সময়ও তিনি মাইজভাণ্ডার পীরের মাহাত্ম্য বর্ণনা করতেন। কবি রমেশ শীলের রচিত অন্যতম দুটি মাইজভাণ্ডারি গান হলো

(১)

ভাণ্ডারীর মহিমা অপার ভাণ্ডারীর মহিমা অপার

দোজাহানের মালিক বাবা মাওলা মাইজভাণ্ডার

প্রেম শিক্ষা দিতে এলে, গাওচুল আজম নাম ধরিলে,

শেষ জামানায় উদয় হল প্রেমের অবতার ॥

সর্ববাঞ্ছা পূর্ণ করে, দৃষ্টিমাত্র বুঝতে পারে,

রূহানীতে কার্য্য সারে মহিমা বাবার

তার ভাবেতে বেখোদ হলে, তার ভাবেতে প্রাণ সঁপিলে

আওলিয়ার দপ্তরে নাম উঠিবে তাহার ॥

বিবেক বলে হাসি হাসি রমেশ কেন তুই রইলি বসি

চলনা একবার দেখে আসি আওলিয়ার দরবার ॥


(২)

নিদানের বন্ধু আমার গাওচুল আজম মাজইভাণ্ডারী,

গাওচুল আজম মাইজভাণ্ডারী গাওচুল আজম মাইজভাণ্ডারী

তুমি হর্তা, তুমি কর্তা, তুমি পাতকী ত্রাতা,

তুমি আমার মুক্তিদাতা ওরে দয়াল মাইজভাণ্ডারী

শয়নে স্বপনে আমি, সদা ভাবি তুমি তুমি

যা কর তা কর তুমি, থাক্ব নূরী কদম ধরি ॥

অন্ধকারে মায়ার কোলে, আমায় দিওনা ফেলে,

আমি তোমার অবোধ ছেলে, ত্বরায়ে লও ত্বরা করি ॥

থাক তুমি পর্দ্দার আরে, ফিরাও মোরে দ্বারে দ্বারে

এরূপ করে রমেশেরে কাঁদাবে কি জন্ম ভরি ॥

মাইজভাণ্ডারী পীরের অনুসারী সাধারণ নিুবিত্তের মানুষ যেমন আছে তেমনি আছে অর্থশালী ও সামাজিক প্রতিপত্তিশালী ব্যক্তি বর্গও। সমাজের মধ্যবিত্ত শ্রেণির মধ্যে এই ধর্মের প্রভাব থাকলেও এটি লোক বৈশিষ্ট্যকে ধারণ করে। ইসলামের আবহে প্রচার-প্রসার ঘটলেও অনুসারীগণ সর্বধর্ম হতে আগত। আবার ইসলামী শাস্ত্রীয় রীতির হুবহু অনুকরণ তাদের স্বভাবজাত নয়। শরিয়তী রীতি-নীতির প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন মাইজভাণ্ডারী রীতির বৈশিষ্ট্য। তারা ঈশ্বরকে আশেকে মাশুক হিসেবে দেখে এবং নিজের আত্মার মধ্যে স্রষ্টাকে অনুভব করে। স্রষ্টাকে তারা হালকা ও জিকিরের মধ্য দিয়ে স্মরণ করে। এদের বাৎসরিক ওরসে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই সক্রিয় অংশ গ্রহণ করে। নিজস্ব সাধন সংগীত সম্প্রদায় মধ্যে ধর্মীয় অনুসঙ্গ হিসেবে চর্চিত হয়। এই সঙ্গীতগুলো ‘মাইজভাণ্ডারী গান’ নামে পরিচিত। বর্তমানে মাইজভাণ্ডারী গান শুধু ধর্মীয় সঙ্গীত হিসেবেই নয় লোকসঙ্গীতের একটি সমৃদ্ধশালী শাখা হিসেবে পরিচিত।

খানকা কেন্দ্রিক মহাসম্মেলন আর আশেক ভক্তের ভাববেগকে আশ্রয় করে আসক্তি গড়ে ওঠে। আর এই আসক্তি থেকেই আশেকগণ জীবনের উপযোগ নিবারণের পন্থা আবিস্কার করে। মাইজভাণ্ডারী তরিকায় শুধু তত্ত্বিকভাবে অন্যান্য তরিকা থেকে স্বতন্ত্র বিবেচিত হয় না। এই তরিকার কিছু আচার ও স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিবেচিত হয়। এই সকল বৈশিষ্ট্যগুলো সাধারণত দরবার বা মাজার-আখড়াকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত হয়। অচারের স্বতন্ত্র রূপ সাধারণত ওরশ-খোশরোজের সময় বেশি পরিলক্ষিত হয়। মাইজভাণ্ডার শরিফের বিশেষ-বিশেষ ওরশ ও খোশরোজ সমূহ হলো —

* ১০ মাঘ, গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারি মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী {হযরত কেবলা} [১৮২৬Ñ১৯০৬]-এর বার্ষিক ওরশ শরিফ।

* ২২ চৈত্র, গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারীর ভ্রাতুষ্পুত্র শাহ্সুফি সৈয়দ গোলাম রহমান মাইজভাণ্ডারী (হযরত বাবা ভাণ্ডারী){১৮৬৫Ñ১৯৩৭}-এর বার্ষিক ওরশ শরিফ।

* ২৭ আশ্বিন, হযরত বাবা ভাণ্ডারীর খোশরোজ শরিফ।

(বর্তমানে এই অনুষ্ঠানটি বাংলা তারিখের পরিবর্তে ইংরেজি ১৪ অক্টোবর তারিখ অনুষ্ঠিত হয়।)

* ১০ পৌষ, গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারীর প্রপৌত্র শাহানশাহ সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (শাহানশাহ বাবাজান) {১৯২৮Ñ১৯৮৮}-এর খোশরোজ শরীফ।

* ২৬ আশ্বিন, শাহানশাহ বাবাজানের বার্ষিক ওরশশরিফ।

* ৭ ফাল্গুন, হযরত বাবাভাণ্ডারির পুত্র শাহজাদা সৈয়দ শফিউল বশর মাইজভাণ্ডারী (জন্ম- ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দ)-এর খোশরোজশরিফ।

মাইজভাণ্ডারি ধর্ম একটি সমন্বিত ধর্ম। নিজস্ব ক্রিয়া-করণ ও চর্চার স্বতন্ত্র ধরণ বিদ্যমান থাকলেও ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিতে এই ধর্মের অনুসারীগন মুসলমান হিসেবে পরিচিত। ফলে একটি উদার-মানবতাবাদী ধর্ম হলেও মুসলমান সম্প্রদায়ের বাইরে এর মুরিদ হওয়ার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা বিদ্যমান। তবুও মুসলমান সম্প্রদায়ের বাইরে অজস্র মানুষ মাইজভাণ্ডার পীরের প্রতি তাদের ভক্তি নিবেদন করে। বিপদে-আপদে তাঁর স্মরণ নেয়। তদরগায় মানৎ করে। শিরণী দেয়। ওরসের দিনে সকলে তবারক গ্রহণ করে। ভক্তিচিত্তে জিকিরাদিতে অংশগ্রহণ করে। আল্লাহ, নবী, অলি-আওলিয়া, মাইজভাণ্ডারপীর প্রভৃতির প্রশস্তিমূলক গান গায়। ভক্তের নিকট ‘গাইছুল আজম মাইজভাণ্ডারী’ হলেন, সৈয়দ আহমদ উল্লাহ, ‘বাবা ভাণ্ডারী’ হলেন সৈয়দ গোলামুর রহমান, সৈয়দ মোহম্মদ হাসান ‘মওলাবাবা’ অভিধায় ভূষিত। ইসলামী সুফি ধারা ও সামা সংগীতের প্রভাবজাত এই ধর্মীয় ধারা। মাইজভাণ্ডারি ধর্মের দর্শন হলো বিশ্ব মানবে এক পরিবারের সদস্য মনে করা। বর্তমানে বাংলাদেশে এই ধারার বেশ প্রভাব বিদ্যমান।
অনুপম হীরা মণ্ডল এর অন্যান্য লেখাসমূহ
Copyright © Life Bangladesh সাপলুডু মূলপাতা | মন্তব্য Contact: shapludu@gmail.com